শিনোনাম

লোহার খনির মজুদ জানতে চলছে তৃতীয় পর্যায়ে কুপ খনন

দেশের প্রথম লোহার খনির মজুদ ও ব্যপ্তি নির্ণয় এবং কূপ খননের জন্য দিনাজপুরের হিলিতে তৃতীয় পর্যায়ের খনন কাজ শুরু করেছে বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদফতর (জিএসবি)। খনিটির তৃতীয় পর্যায়ের খনন কাজ শুরু হওয়ায় নতুন কর্মসংস্থান হবে বলে আশায় বুক বেঁধেছে এলাকাবাসী।
বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদফতর (জিএসবি) সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সালে প্রথম পর্যায়ে উপজেলার মুশিদপুর গ্রামে কূপ খনন করে লৌহ খনিজ পদার্থের সন্ধান পান ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ অধিদফতর। সেখানে ১৫শ থেকে দুই হাজার ফুট গভীরতায় মুল্যবান ম্যাগনেটিক মিনারেল, হেমাটাইট, ম্যাগনেটাইট ও লিমোনাইট পাওয়া যায়। আর ১২’শ ফুট গভীরতায় পাওয়া যায় চুনা পাথর।
সেই ধারাবাহিকতায় দীর্ঘ ছয় বছর গবেষণা করে ইতিবাচক ফলাফল পাওয়ায় ইসবপুরে দ্বিতীয় জরিপে কূপ খননের কাজ শুরু করে ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ অধিদফতরের ৩০ সদস্যের একটি দল। তিন শিফটে এই কাজ পরিচালনা করে বিশেষজ্ঞ দলটি। ১৩শ ফুট গভীরতা থেকে লৌহ খনির অবস্থান নিশ্চিত হন তারা।
এরপর ২০১৯ সালের ২১ এপ্রিল থেকে ইসবপুর গ্রামে খনিজ সম্পদের মজুদ, বিস্তৃতি ও অর্থনৈতিক সম্পর্কতা যাচাইয়ের জন্য জিএসবি ড্রিলিং কার্যক্রম চালিয়ে প্রায় ১৮শ ফিট ড্রিলিং করা হয়। এবং এরমধ্যে লৌহ আকরিকের সাথে নিকেল, কপারেট, ক্রোনিয়াম উপাদান পান বিশেষজ্ঞ দলটি।
এ তথ্যের ভিত্তিতে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে একই ইউনিয়নের ভাটারা এলাকায় খনির মজুত ও ব্যাপ্তি নির্ণয়ে তৃতীয় পর্যায়ের ড্রিলিং কার্যক্রম শুরু করেছে জিএসবি। উদ্বোধনের পর থেকে ৩০ সদস্যের একটি দল তিনটি শিফটের মাধ্যমে দিন-রাত সমান তালে ড্রিলিং কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে, আগামী তিন থেকে চার মাস ধরে চলবে এই কার্যক্রম। এ ধরনের ১০ থেকে ১২টি ড্রিলিং কার্যক্রম চালানো হবে বলেও জানিয়েছে জিএসবি কর্তৃপক্ষ।