জাতীয় পার্টিতে ফের অস্থিরতা
জাতীয় পার্টিতে (জাপা) আবার অস্থিরতা
শুরু হয়েছে। দলটির নতুন কমিটিতে ১৬ নেতাকে বিভিন্ন পদে নির্বাচিত করায়
অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব-বিবাদ এখন তুঙ্গে।
বুধবার দুপুরে দলের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও
বিরোধী দলের নেতা বেগম রওশন এরশাদ দলের ১৬ নেতাকে বিভিন্ন পদে মনোনয়ন দিয়ে
দলের মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গার কাছে নির্দেশনা পাঠান। দুপুরে দলের এক
নেতা মহাসচিবের কাছে তা পৌঁছে দিয়েছেন।
এর সত্যতা স্বীকার করে দলের চিফ পেট্টন
বেগম রওশন এরশাদ বলেন, ‘দলে যাদের ত্যাগ ও শ্রম রয়েছে নতুন কমিটিতে তাদেরকে
যথাযথ সম্মান দেয়া হয়নি। তাই চিফ পেট্টন হিসেবে আমি বাদ পড়া নেতাদের
মূল্যায়ন করেছি।’
তিনি বলেন, ‘এম এ সাত্তার শুরু থেকে দলে
আছেন, তিনি অনেক সিনিয়র। তাকে কো-চেয়ারম্যান করেছি। প্রফেসর দেলোয়ার হোসেন
খান দলের দুঃসময়ের নেতা, এরশাদ মুক্তি আন্দোলনে জেল খেটেছেন, তাকে
প্রেসিডিয়াম সদস্য করা হয়েছে। এভাবে যারা বাদ পড়েছেন নতুন কমিটিতে তাদের
বিভিন্ন পদে অন্তভূর্ক্ত করা হয়েছে। যাতে সবাই মিলে দলকে শক্তিশালী করতে
পারি।
জাতীয় পার্টিতে (জাপা) পদ পেলেন যারা: কো
চেয়ারম্যান রাহগির আল মাহে সাদ এরশাদ, এম এ সাত্তার, প্রেসিডিয়াম সদস্য
পদে অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন খান, অধ্যাপক মো. ইকবাল হোসেন রাজু, নূরে হাসনা
লিলি চৌধুরী, অধ্যাপিকা রওশন আরা মান্নান, ফখরুজ্জামান জাহাঙ্গির, কাজী
মামুনুর রশীদ, মাহজাবিন মুর্শেদ, নুরুল ইসলাম ওমর, আরিফুর রহমান খান, ভাইস
চেয়ারম্যান পদে আমানত হোসেন আমানত ও সাবেক এমপি ইয়াহিয়া, যুগ্ম মহাসচিব পদে
মো. জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া ও রেজাউল করিম।
দলের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য মেজর অব.
খালেদ আক্তারকেও দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য করা হবে বলে জানিয়েছেন দলের প্রধান
পৃষ্ঠপোষক রওশন এরশাদ। তিনি বলেন, ‘নতুন কমিটিতে তার নাম বাদ পড়েছে,
প্রেসিডিয়াম পদে তাকে মনোনীত করা হবে।
