শৈত্যপ্রবাহে বিপর্যস্ত শহরের জনজীবন
সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত হালকা কুয়াশার পাশাপাশি ঠান্ডা অনুভব করলেও
বিকেল থেকে শুরু হয় শৈত্যপ্রবাহ। এতে চরম ভাবে বিপর্যস্ত হচ্ছে শহরের
জনজীবন। এছাড়া শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় চর্তুদিকে দেখা দিয়েছে এক ধরণের
স্থবিরতা।
রাস্তা ঘাট কিংবা শপিং কমপ্লেক্সে সাধারণ মানুষের উপস্থিতি একেবারেই কম। ক্রেতাশুন্য ফুটপাতের ভাসমান দোকানগুলো। আর মূলত শ্রমজীবী, কর্মজীবী এবং নিন্মআয়ের দরিদ্র লোকজনকে দূর্ভোগ পোহাতে দেখা গেছে এই শৈত্যপ্রবাহের কারণে।
বিকেলে নগরীর দুই নং রেলগেট এলাকায় ফজল মোল্লা নামে এক রিক্সা চালক জানান, শীতে বেশিক্ষণ রাস্তায় রিক্সা চালানো যাচ্ছেনা। বেশি ঠান্ডার কারণে বুকে ব্যথা শুরু হয়ে যায় তাই ক্ষুব সমস্যা হচ্ছে। সাধারণত প্রতিদিন ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা আয় করলেও শৈত্যপ্রবাহের জন্য তার আয় প্রায় কমে গেছে ২০০ টাকা। তাই আর্থিক সংকটেও পড়েছেন তিনি।
নারায়ণগঞ্জ ক্লাবের সামনে আনোয়ার নামে এক প্যান্ট বিক্রেতা বলেন, অন্যান্য সময় আমরা হকাররা শুক্রবার দুপুর থেকে বিকেলের মধ্যেই প্রায় ২ থেকে ৩ হাজার টাকার মাল (প্যান্ট) বিক্রি করি কিন্তু আজকে ক্রেতা নাই। কারণ যেই ঠান্ডা মানুষ তো ঘর থেকে বের হতেই চায়না।
চাষাঢ়া শহীদ মিনারের এক ফুচকা বিক্রেতা বলেন, গত সপ্তাহেও শৈত্যপ্রবাহ ছিলো কিন্তু সেদিন শহরে প্রচুর মানুষের ছিলো। শহীদ মিনানে পা ফেলা জায়গা ছিলো এতো মানুষ ছিলো কিন্তু আজকে লোকই নাই। মনে হয়, ঠান্ডার কারণে সবাই বাড়িতেই বসে আছে। তাই আজকে দ্রুতই দোকান বন্ধ করে ফেলবো।
চষাঢ়ায় আবুল মালেক নামে এক ব্যবসায়ী বলেন, ভেবেছিলাম আজকে পরিবার নিয়ে একটু হাঁটতে বের হবো কিন্তু প্রচন্ড শীতের জন্য সেটা আর সম্ভর হয়ে উঠেনি। অন্যদিকে বাড়িতে ছোট ছেলেটাও অসুস্থ হয়ে পড়েছে এই আবহাওয়ার জন্য।
রাস্তা ঘাট কিংবা শপিং কমপ্লেক্সে সাধারণ মানুষের উপস্থিতি একেবারেই কম। ক্রেতাশুন্য ফুটপাতের ভাসমান দোকানগুলো। আর মূলত শ্রমজীবী, কর্মজীবী এবং নিন্মআয়ের দরিদ্র লোকজনকে দূর্ভোগ পোহাতে দেখা গেছে এই শৈত্যপ্রবাহের কারণে।
বিকেলে নগরীর দুই নং রেলগেট এলাকায় ফজল মোল্লা নামে এক রিক্সা চালক জানান, শীতে বেশিক্ষণ রাস্তায় রিক্সা চালানো যাচ্ছেনা। বেশি ঠান্ডার কারণে বুকে ব্যথা শুরু হয়ে যায় তাই ক্ষুব সমস্যা হচ্ছে। সাধারণত প্রতিদিন ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা আয় করলেও শৈত্যপ্রবাহের জন্য তার আয় প্রায় কমে গেছে ২০০ টাকা। তাই আর্থিক সংকটেও পড়েছেন তিনি।
নারায়ণগঞ্জ ক্লাবের সামনে আনোয়ার নামে এক প্যান্ট বিক্রেতা বলেন, অন্যান্য সময় আমরা হকাররা শুক্রবার দুপুর থেকে বিকেলের মধ্যেই প্রায় ২ থেকে ৩ হাজার টাকার মাল (প্যান্ট) বিক্রি করি কিন্তু আজকে ক্রেতা নাই। কারণ যেই ঠান্ডা মানুষ তো ঘর থেকে বের হতেই চায়না।
চাষাঢ়া শহীদ মিনারের এক ফুচকা বিক্রেতা বলেন, গত সপ্তাহেও শৈত্যপ্রবাহ ছিলো কিন্তু সেদিন শহরে প্রচুর মানুষের ছিলো। শহীদ মিনানে পা ফেলা জায়গা ছিলো এতো মানুষ ছিলো কিন্তু আজকে লোকই নাই। মনে হয়, ঠান্ডার কারণে সবাই বাড়িতেই বসে আছে। তাই আজকে দ্রুতই দোকান বন্ধ করে ফেলবো।
চষাঢ়ায় আবুল মালেক নামে এক ব্যবসায়ী বলেন, ভেবেছিলাম আজকে পরিবার নিয়ে একটু হাঁটতে বের হবো কিন্তু প্রচন্ড শীতের জন্য সেটা আর সম্ভর হয়ে উঠেনি। অন্যদিকে বাড়িতে ছোট ছেলেটাও অসুস্থ হয়ে পড়েছে এই আবহাওয়ার জন্য।
