শিমরাইল ট্রাক টার্মিনালের সংস্কারকাজ শুরু
সিদ্ধিরগঞ্জ
প্রতিনিধি
ঢাকা-চ্রট্রগাম মহাসড়ক ঘেঁষে সিদ্ধিরগঞ্জের
শিমরাইলমোড়ের সন্নিকটেই অবস্থিত আন্তঃজিলা শিমরাইল ট্রাক টার্মিনালটি। ইটের
সলিং না থাকায় টার্মিনালটির
অবস্থা খুবই শোচনীয়। বর্ষাকাল হওয়াতে টার্মিনালে লোড
আনলোড ট্রাক উঠানামার কারণে
এবং ঈদুল আযহার সময়ে
গরুবাহী ট্রাক রাখার কারণে
টার্মিনালে বড় বড় গর্তের
সৃষ্টি হয়েছে। দেখলে মনে
হবে যে নতুন ড্রেন
কাট হয়েছে। বড় বড়
গর্ত ও ড্রেনের মতো
এবড়ো থেবড়ো খানাখন্দ দূরাবস্থার
কারণে লোড ও আনলোডবাহী
ট্রাক, কাভার্ডভ্যান ও পিকাপ ট্রাক
টার্মিনালে উঠানামা করতে সমস্যা হচ্ছে।
গাড়ি চালকদের সমস্যা দেখে গতকাল
মঙ্গলবার সকাল থেকে টার্মিনালের
সংস্কার কাজ শুরু করেছেন
শিমরাইল ট্রাক কাভার্ডভ্যান ও
পিকাপ মালিক সমিতির সভাপতি
মোঃ দেলোয়ার হোসেন। ইতিপূর্বে তিনি
লাখ লাখ টাকা খরচ
করে টার্মিনালে রাবিশ ফেলেছেন। যে
সকল স্থানে রাবিশ ফেলা
হয়েছে সেব জায়গা অনেকটাই
ভাল আছে। গতকাল মঙ্গলবার
সকাল ১০ টার সময়
ট্রাক টার্মিনালে গিয়ে দেখা যায়
খানাখন্দভরা টার্মিনালের সংস্কার কাজ করছে কয়েকজন
মাঠ সংস্কারকর্মী। নারায়ণগঞ্জ সিটিকরপেরেশন থেকে অদ্যাবধি এই
টার্মিনালের উন্নয়নের জন্য একটি টাকাও
বরাদ্ধ দেওয়া হয়নি বলে
জানালেন মালিক সমিতির সভাপতি
মোঃ দেলোয়ার হোসেন। তিনি যেহেতু
টার্মিনালের কর্নধার তাই তিনি নিজ
দায় থেকেই ব্যক্তিগতভাবে কয়েক
লাখ টাকা দিয়ে মাঠের
উন্নয়ন কাজ করেছেন এবং
এখনো করে যাচ্ছেন। টার্মিনালের
একাধিক গাড়ির মালিক ও
চালকরা বলেন, ৭ খুনের
পর নুর হোসেন ট্রাক
টার্মিনালটি ফেলে রেখে যান।
দীর্ঘদিন অভিভাবকহীন অবস্থায় ছিল টর্মিনালটি। তখন
গাড়ির মালিক ও চালকদের
সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। গাড়ির
মালিক ও চালকদের দুর্ভোগের
কথা ভেবে শিমরাইল ট্রাক
কাভার্ডভ্যান ও পিকাপ মালিক
সমিতির হাল ধরেন দেলোয়ার
হোসেন। একের পর এক
করতে থাকেন টার্মিনালের উন্নয়ন,
দুর্ভোগ লাঘব হতে থাকে
ট্রাক টার্মিনালের গাড়ির মলিক ও
চালকদের। প্রতিবছরই বর্ষা মৌসুমে টার্মিনালে
খানাখন্দ বিরাজ করে। কারণ
টার্মিনালটি কাঁচা। যার কারণে
গাড়ি চালকরা দুর্ভোগ পোহায়।
গাড়ি চালকদের দুর্ভোগ লাঘবে গতকাল মঙ্গলবার
সকাল থেকে মাঠ সংস্কারের
জন্য মাঠ সংস্কারকর্মী নামিয়ে
দিয়েছেন। যত দিন দরকার
ততোদিন মাঠ সংস্কারকর্মীরা ট্রার্মিনালের
মাঠে সংস্কার করে গাড়ি উঠানামার
জন্য উপযোগী করে তুলবে
বলে জানালেন দেলোযার হোসেন। তিনি আরও
বলেন, বৃহত্তর এ টার্মিনালের জন্য
সিটি করপোরেশন থেকে টার্মিনালের উন্নয়নের
জন্য বরাদ্ধ দিলে টার্মিনালটি সুন্দর
হতো এবং গাড়ি চালকরাও
অনায়াসে টার্মিনালটি ব্যবহার করার সুযোগ পেত।
