মডেলের সঙ্গে সালমানের নতুন কাণ্ড
বিগ বসের অনুষ্ঠান মানেই বিনোদন জগতের
সেলিব্রেটিদের অদ্ভুত সব কাণ্ড কারখানা। আর এর মধ্যে দিয়েই আলোচনা
সমালোচনায় থাকা। আবেগ, ক্ষোভ, নতুন নতুন প্রেম আর নানা জল্পনার জন্ম দেয় এই
শ্যুটিং সেট। এবার বিগ বসের সেট জন্ম দিল নতুন আলোচনার খোরাক। কোন
প্রতিযোগী নয়, বরং এই কাণ্ডের জন্ম দিয়েছেন খোদ এংকর নিজে। সেই এংকর হলেন
সালমান খান।
পারফর্মারদের অতিরিক্ত ঝগড়া, চিৎকার,
চেঁচামেচিতে বিরক্ত হয়ে ক্ষোভ ঝেড়েছেন সালমান। সেই ভিডিও ইউটিউব ও ফেসবুকে
আসতেই শুরু হয়েছে বিতর্ক।
ভারতের গণমাধ্যম বলছে, বিগ বসের ‘উইকেন্ড
কা ভার’ অ্যাপিসোডে প্রতিযোগীদের কাছে সালমান জানতে চান মাহিরা শর্মা আর
শেহনাজ গিলের মধ্যে কে বেশি হিংসুটে?
এসময় ঘরের সদস্যের বেশিরভাগই শেহনাজকে
বেশি হিংসুটে বলে মত দেয়। আর এতেই ক্ষেপে যান শেহনাজ। শুরু করেন কান্না।
বলতে থাকেন, তিনি হিংসুটে নন। আর বিগ বসের ঘরেও আর থাকবেন না তিনি।
কালারস টিভিতে প্রচারিত ২০ সেকেন্ডের ওই টিজারে দেখা যায় এই সময় প্রচণ্ড রেগে যান সালমান খান।
বলেন, ‘চারজন লোক চিনতে শুরু করেছে বলে কি
নিজেকে ক্যাটরিনা কাইফ ভাবছ? বের হয়ে যাও।’ এরপর শেহনাজকে কয়েকবার শান্ত
হওয়ার অনুরোধও করেন তিনি।
তবে এই সময়ও শেহনাজ চিৎকার করে কাঁদতে কাঁদতে বলতে থাকেন, ‘আমি এখানে আর থাকতে চাই না।’
এতে মেজাজ হারিয়ে ফেলেন ভাইজান। পাল্টা চিৎকার করে তিনিও বলেন, ‘তো যাও। বের হয়ে যাও।’
এরপর বাগানে গিয়ে শেহনাজ কাঁদতে থাকলে
তাঁকে থামাতে যান প্রেমিক সিদ্ধার্থ শুকলা। তখন সালমান খান সিদ্ধার্থকে
বলেন, শেহনাজের কারণে তাঁর ইমেজ নষ্ট হচ্ছে।
তিনি বিগ বসের সদস্যদের সবাইকে একটি ভিডিও
দেখান, যেখানে শেহনাজ সিদ্ধার্থকে চড় মারছেন, লাথি দিচ্ছেন, চুল টানছেন।
সিদ্ধার্থসহ সবাই সেই ভিডিও দেখে হাসাহাসি করলেও সালমান খান বলেন, বিষয়টি
মোটেও হাসির নয়। বাইরে বিষয়টি ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।
যদিও সালমান খান সিদ্ধার্থকে শেহনাজের
থেকে দূরে থাকতে বললে উপস্থিত দর্শকেরা ‘না’ বলে চিৎকার করেন। তখন সালমান
খান জানান, ‘দূরে থাকার’ অর্থ সম্পর্ক ভেঙে ফেলা নয়। সেটা তাঁদের ব্যক্তিগত
বিষয়। তিনি কেবল শারীরিকভাবে দূরে থাকতে বলেছেন। যাতে এত ঘন ঘন চড় খেতে না
হয়।
উল্লেখ্য, মডেল, গায়িকা ও অভিনয়শিল্পী শেহনাজকে বলা হয় পাঞ্জাবের ক্যাটরিনা কাইফ।
