মামা আ’লীগের এমপি ভাগিনা বিএনপি নেতা : সমালোচনার ঝড়
টি শার্ট লুঙ্গি পরিহিত এমপি নজরুল ইসলাম বাবুর কাধ ঘেঁষে পেছনে
দাঁড়িয়ে থাকা যুবকটির নাম হারুন অর রশিদ। সে এমপি বাবুর ভাগিনা। ছবিতে
অন্তরঙ্গ অবস্থায় দেখেই কারো বুঝতে অসুবিধা হবেনা যে নজরুল ইসলাম বাবুর
কতটা কাছের মানুষ এই হারুন।
একটি মামলা করে হারুন অর রশিদ আড়াইহাজার উপজেলার সবচেয়ে আলোচিত ও সমালোচিত ব্যক্তিতে পরিণত হয়েছে বলে মনে করেন রাজনৈতিক বোদ্ধামহল। তাদের মতে, এমপি বাবুর ভাগিনা হারুন অর রশিদ একজন বিএনপি নেতা। সে উপজেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি।
তাকে নিয়ে উপজেলার রাজনৈতিক অঙ্গনে সমালোচনার কারণ হচ্ছে একজন বিএনপি নেতাকে সাথে নিয়ে এমপি বাবু কৌশলে অন্যান্য বিএনপি নেতাদের জব্দ করছেন। বাবু একজন প্রাজ্ঞ আওয়ামীলীগ নেতা হয়েও বিএনপি নেতা হারুনকে সাথে নিয়ে ঘুরছেন । বিএনপি নেতা হারুনের কারনে এখন আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা এমপি বাবুর কাছে অপাংতেয় হয়ে পড়েছে।
উপজেলা আওয়ামীলীগের একাধিক সূত্র জানায়, বিএনপি নেতা হারুন এমপি’র পক্ষে ডিজিটাল আইনে একটি মামলা করে হাওয়ায় ভাসছেন। হারুনের বৃহস্পতি এখন তুঙ্গে। নিজের স্বার্থে এমপি বাবু তাকে মাথায় নিয়ে নাচছেন। হারুন যা বলছে তাই করছেন। হারনই এখন বাবু’র উপদেষ্টায় পরিণত হয়েছে। যদিও বাবুকে এটা মানায় না। একজন বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক বিএনপি নেতাকে মাথায় তুলে ঘুরবেন-এটা অত্যন্ত বিব্রতকর।
দলের কয়েকজন সিনিয়র নেতা বলেন, আমরা বুঝেছি নজরুল ইসলাম বাবু কেনো বিএনপি নেতা হারুনকে নিয়ে নাচানাচি করছেন। এমপি বাবু ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে দুদক এর তদন্ত শুরু হওয়ার সংবাদটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর থেকে হারুনের গুরুত্ব বাড়ে। বাবু ফেসবুকে স্ট্যাটাস এর সূত্র ধরে বিএনপি নেতাদের ফাঁসাতে ভাগিনা বিএনপি নেতা হারুনকে কাছে ডেকে নেন। বাবু একটি ছক করে দেন। হারুনকে বুঝিয়ে দেন কিভাবে মামলাটি সাজাতে হবে। হারুন ভাগিনা পরিচয় দিয়েই এমপি বাবুর পক্ষে সে মোতাবেক মামলাটি দায়ের করে।
খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, ফেসবুকের বিভিন্ন আইডি থেকে কিছু পোষ্ট করার কারনে গত ১৯ ডিসেম্বর এমপি নজরুল ইসলাম বাবুর ভাগিনা মোঃ হারুন অর রশিদ বাদী হয়ে আড়াইহাজার থানায় ২০১৮ সালের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২৫(২)/২৯(১)/৩১(২) ধারার ১১ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়েল করেন, মামলা নং ১৮(১২)১৯।
মামলার এজাহারে এমপি নজরুল ইসলাম বাবুর ভাগিনা বলেন যে, আমার মামা নজরুল ইসলাম বাবু, মাননীয় সংসদ সদস্য নারায়ণগঞ্জ-০২ এর বিরুদ্ধে বিভিন্ন মানহানিকর মিথ্যা তথ্য প্রকাশ ও প্রচার করিয়া পারষ্পরিক শত্রুতা, ঘৃণা বা বিদ্বেষ সৃষ্টি করে নারায়ণগঞ্জ-০২ নির্বাচনী এলাকায় একটি অস্থিরতা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টাসহ আইন শৃংখলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর মত পোষ্ট রয়েছে।
আমার মামা জনাব নজরুল ইসলাম বাবু জাতীয় সংসদ সদস্য নারায়ণগঞ্জ-০২ মহোদয় কে অপমান, অপদস্থ বা হেয় প্রতিপন্ন করা সহ এলাকায় বিশৃংখলা সৃষ্টির অভিপ্রায়ে এই পোস্ট করা হয়েছে। বিষয়টি আমি আমার মামা নজরুল ইসলাম বাবু, এমপি মহোদয়ের সহিত আলোচনা করে অভিযোগ দায়ের করতে বিলম্ব হল।
মামলার নথিতে স্পষ্ট দেখা যায় যে, উপরোক্ত মামলার এজাহার নামীয় এমদাদুল হক নামে একজন আসামীকে গ্রেফতার করে ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন সহ কোর্টে প্রেরণ করে থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত এমদাদুল হক আসামী বীর মুক্তিযোদ্ধা নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি মিজানুর রহমান বাচ্চুর মেয়ের জামাই।
অন্য আসামীরা জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইকবাল পারভেজের অনুসারী। কোর্টে রিমান্ড শুনানীতে এমপি বাবুর ভাগিনা বিএনপির ছাত্র দলের সহসভাপতি মর্মে প্রয়াত বিএনপির সভাপতি বদরুজ্জামান খসরুর কাছ থেকে নেওয়া প্রত্যয়নপত্র কোর্টে জমা দেয়া হয়।
এছাড়া এমপি বাবুর ভাগিনা যে বিএনপির সহসভাপতি ছিল গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্টের ভিত্তিতে জাতীয় সমকাল পত্রিকায় গত ২১ নভেম্বর ২০১৯ খ্রি: তারিখের রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছিল।
উল্লেখ্য যে, এমপি বাবু ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে অবৈধ অর্জনের দরুন ব্যপক তদন্ত শুরু করেন দূর্নীতি দমন কমিশন। তাদের তদন্তের দুদুক এর প্রধান কার্যালয়ের ঢাকার নথি নং-০০.০১.০০০০.৫০২.০১.১০১.১৯। এমপি বাবু এবং তার স্ত্রীর তদন্ত দ্রুত শেষ করার জন্য দদুক’র পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেনকে স্পেশাল টিম গঠন করে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
একই সাথে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড নজরুল ইসলাম বাবু এবং তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব তলব করে আলাদা তদন্ত শুরু করেছেন। নজরুল ইসলাম বাবুর অবৈধ অর্জিত সম্পদেও তদন্তে দুদক এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের তদন্তের বিষয়টি জাতীয় পত্রিকা ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়াতে বির্তকিত ব্যক্তি হিসেবে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
একটি মামলা করে হারুন অর রশিদ আড়াইহাজার উপজেলার সবচেয়ে আলোচিত ও সমালোচিত ব্যক্তিতে পরিণত হয়েছে বলে মনে করেন রাজনৈতিক বোদ্ধামহল। তাদের মতে, এমপি বাবুর ভাগিনা হারুন অর রশিদ একজন বিএনপি নেতা। সে উপজেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি।
তাকে নিয়ে উপজেলার রাজনৈতিক অঙ্গনে সমালোচনার কারণ হচ্ছে একজন বিএনপি নেতাকে সাথে নিয়ে এমপি বাবু কৌশলে অন্যান্য বিএনপি নেতাদের জব্দ করছেন। বাবু একজন প্রাজ্ঞ আওয়ামীলীগ নেতা হয়েও বিএনপি নেতা হারুনকে সাথে নিয়ে ঘুরছেন । বিএনপি নেতা হারুনের কারনে এখন আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা এমপি বাবুর কাছে অপাংতেয় হয়ে পড়েছে।
উপজেলা আওয়ামীলীগের একাধিক সূত্র জানায়, বিএনপি নেতা হারুন এমপি’র পক্ষে ডিজিটাল আইনে একটি মামলা করে হাওয়ায় ভাসছেন। হারুনের বৃহস্পতি এখন তুঙ্গে। নিজের স্বার্থে এমপি বাবু তাকে মাথায় নিয়ে নাচছেন। হারুন যা বলছে তাই করছেন। হারনই এখন বাবু’র উপদেষ্টায় পরিণত হয়েছে। যদিও বাবুকে এটা মানায় না। একজন বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক বিএনপি নেতাকে মাথায় তুলে ঘুরবেন-এটা অত্যন্ত বিব্রতকর।
দলের কয়েকজন সিনিয়র নেতা বলেন, আমরা বুঝেছি নজরুল ইসলাম বাবু কেনো বিএনপি নেতা হারুনকে নিয়ে নাচানাচি করছেন। এমপি বাবু ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে দুদক এর তদন্ত শুরু হওয়ার সংবাদটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর থেকে হারুনের গুরুত্ব বাড়ে। বাবু ফেসবুকে স্ট্যাটাস এর সূত্র ধরে বিএনপি নেতাদের ফাঁসাতে ভাগিনা বিএনপি নেতা হারুনকে কাছে ডেকে নেন। বাবু একটি ছক করে দেন। হারুনকে বুঝিয়ে দেন কিভাবে মামলাটি সাজাতে হবে। হারুন ভাগিনা পরিচয় দিয়েই এমপি বাবুর পক্ষে সে মোতাবেক মামলাটি দায়ের করে।
খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, ফেসবুকের বিভিন্ন আইডি থেকে কিছু পোষ্ট করার কারনে গত ১৯ ডিসেম্বর এমপি নজরুল ইসলাম বাবুর ভাগিনা মোঃ হারুন অর রশিদ বাদী হয়ে আড়াইহাজার থানায় ২০১৮ সালের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২৫(২)/২৯(১)/৩১(২) ধারার ১১ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়েল করেন, মামলা নং ১৮(১২)১৯।
মামলার এজাহারে এমপি নজরুল ইসলাম বাবুর ভাগিনা বলেন যে, আমার মামা নজরুল ইসলাম বাবু, মাননীয় সংসদ সদস্য নারায়ণগঞ্জ-০২ এর বিরুদ্ধে বিভিন্ন মানহানিকর মিথ্যা তথ্য প্রকাশ ও প্রচার করিয়া পারষ্পরিক শত্রুতা, ঘৃণা বা বিদ্বেষ সৃষ্টি করে নারায়ণগঞ্জ-০২ নির্বাচনী এলাকায় একটি অস্থিরতা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টাসহ আইন শৃংখলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর মত পোষ্ট রয়েছে।
আমার মামা জনাব নজরুল ইসলাম বাবু জাতীয় সংসদ সদস্য নারায়ণগঞ্জ-০২ মহোদয় কে অপমান, অপদস্থ বা হেয় প্রতিপন্ন করা সহ এলাকায় বিশৃংখলা সৃষ্টির অভিপ্রায়ে এই পোস্ট করা হয়েছে। বিষয়টি আমি আমার মামা নজরুল ইসলাম বাবু, এমপি মহোদয়ের সহিত আলোচনা করে অভিযোগ দায়ের করতে বিলম্ব হল।
মামলার নথিতে স্পষ্ট দেখা যায় যে, উপরোক্ত মামলার এজাহার নামীয় এমদাদুল হক নামে একজন আসামীকে গ্রেফতার করে ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন সহ কোর্টে প্রেরণ করে থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত এমদাদুল হক আসামী বীর মুক্তিযোদ্ধা নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি মিজানুর রহমান বাচ্চুর মেয়ের জামাই।
অন্য আসামীরা জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইকবাল পারভেজের অনুসারী। কোর্টে রিমান্ড শুনানীতে এমপি বাবুর ভাগিনা বিএনপির ছাত্র দলের সহসভাপতি মর্মে প্রয়াত বিএনপির সভাপতি বদরুজ্জামান খসরুর কাছ থেকে নেওয়া প্রত্যয়নপত্র কোর্টে জমা দেয়া হয়।
এছাড়া এমপি বাবুর ভাগিনা যে বিএনপির সহসভাপতি ছিল গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্টের ভিত্তিতে জাতীয় সমকাল পত্রিকায় গত ২১ নভেম্বর ২০১৯ খ্রি: তারিখের রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছিল।
উল্লেখ্য যে, এমপি বাবু ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে অবৈধ অর্জনের দরুন ব্যপক তদন্ত শুরু করেন দূর্নীতি দমন কমিশন। তাদের তদন্তের দুদুক এর প্রধান কার্যালয়ের ঢাকার নথি নং-০০.০১.০০০০.৫০২.০১.১০১.১৯। এমপি বাবু এবং তার স্ত্রীর তদন্ত দ্রুত শেষ করার জন্য দদুক’র পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেনকে স্পেশাল টিম গঠন করে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
একই সাথে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড নজরুল ইসলাম বাবু এবং তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব তলব করে আলাদা তদন্ত শুরু করেছেন। নজরুল ইসলাম বাবুর অবৈধ অর্জিত সম্পদেও তদন্তে দুদক এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের তদন্তের বিষয়টি জাতীয় পত্রিকা ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়াতে বির্তকিত ব্যক্তি হিসেবে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
