জিয়া হলে মেলা বন্ধের সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছে নাগরিক সমাজ
দীর্ঘদিন পর জেলা প্রশাসনের একটি সিদ্ধান্ত নগরবাসীর মন ছুঁয়েছে। চাষাঢ়া
বিজয়স্তম্ভ চত্ত্বরটির চতুর্পাশে গোটা নগরীর সবচেয়ে ব্যস্ততম জায়গা।জেলা
প্রশাসন, পুলিশ বিভাগ, সিটি কর্পোরেশনসহ নাগরিক সমাজ সবসময় শহরের যানজট
নিরসনে সমাধানের রাস্তা খোঁজেন। কিন্তু গলার কাঁটা হয়ে ঝুলে ছিলো চাষাঢ়া
বিজয়স্তম্ভের উত্তর দিকের পরিত্যক্ত জিয়া হলের মেলা।
সবাই যখন বঙ্গবন্ধু সড়কের ফুটপাত হকারমুক্ত রাখার আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে ঠিক তখনো জিয়াহলের সামনে একের পর এক মেলা বসানোয় প্রশাসনের দিকেই চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিচ্ছিল। চাষাঢ়ার জিয়া হলের সামনের এই মেলা নিয়ে নাগরিক সমাজ বারবার ক্ষোভ ঝেড়েছেন। তবে তা আরও গুরুত্ব পায় যখন গত ১২ মে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় তৎকালীন পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ হারুন অর রশীদ জেলা প্রশাসকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, ‘জিয়া হলে মেলা বসানোর কারণে যানজট তৈরি হচ্ছে।’ এটি একটি পরিত্যক্ত ভবন।জিয়া হলে মেলা হলে মূল সড়কে যানজট তৈরি হয়। এখানে মেলা না হলেই ভালো হতো।
তখন জেলা প্রশাসক ছিলেন রাব্বী মিয়া। তিনি ওই সভাতেই মেলা বসানোর আর কোন অনুমোদন দেয়া হবেনা বলে জানিয়েছিলেন। এই সভাতেই সেটি নিয়ে মৌখিক সিদ্ধান্ত হয়। জেলা প্রশাসক জসিম উদ্দিন দায়িত্ব নেয়ার পরেও আরও দুটি আইনশৃঙ্খলা সভাতেও জিয়া হলের এই মেলা প্রসঙ্গ উঠে আসে।এমনকি, জেলা আইনশৃঙ্খা সভায় জিয়া হলের সামনে মেলা না বসানোর ব্যাপারে রেজ্যুলেশনও হয়।
তবে অজ্ঞাত কারণে জিয়া হলের সামনের এই মেলা চালানো অব্যহত থাকে।বারোমাসি এই মেলার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ নগরবাসী।এরই মধ্যে শীত শুরুর আগে গেলো কয়েকমাস মাসব্যাপি চলা তাঁতবস্ত্র মেলা নাম বদলে শীতবস্ত্র হস্ত ও কুটির শিল্প নাম নিয়ে শুরু হয় চাষাঢ়া জিয়া হলেই।
আইনশৃঙ্খলা সভায় উপস্থিত অনেকেই এনিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেন। ক্ষোভ প্রকাশ করেন নাগরিক সমাজও। সবাই তাকিয়ে ছিলেন জেলা প্রশাসকের দিকে। শেষ অবদি জেলা প্রশাসক নিরাশ করলেন না শহরের নাগরিক সমাজ ও বাসিন্দাদের।
অবশেষে নগরীর চাষাঢ়ার জিয়া হলের শীত বস্ত্র, হস্ত ও কুটির শিল্প মেলা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে জেলা প্রশাসন। একদিনের মধ্যে মেলার সব দোকানিকে তাদের জিনিসপত্র সরিয়ে নেয়ার জন্য সময় দেয়া হয়। ২২ ডিসেম্বর দুপুরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রুমানা আক্তারের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকালে তিনি এ নির্দেশ দেন।
জিয়া হলের মেলা বন্ধের ব্যাপারে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রুমানা আক্তার জানান, জেলা প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া অবৈধভাবে মেলা স্থাপনের দায়ে মেলাটি বন্ধ করে নির্দেশ জেলা প্রশাসন দিয়েছে। আগামীকাল (২৩ ডিসেম্বর) সকালের মধ্যে স্থানটি ফাঁকা করার জন্য ব্যবসায়ীদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তারপরও যদি তারা নিজেদের মালামাল সরিয়ে না নেয় তাহলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আসলে নির্দেশনাটি আজকেই আমার কাছে এসেছে। প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী মেলা বন্ধের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
এদিকে সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) সরেজমিন ঘুরে করে দেখা গেছে, দোকানপাট গুছিয়ে চলে গেছেন ব্যবসায়ীরা। প্যান্ডেল খোলার কাজও চলছে। তবে এখনো পুরো জিয়া হল প্রাঙ্গণ উন্মুক্ত হয়নি।
জিয়া হলের মেলা বন্ধ হওয়ায় জেলা প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন নাগরিক সমাজ। তারা প্রশাসনের এমন সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।
প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি এড.মাহবুবুর রহমান মাসুম। তিনি বলেন, ‘জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় জিয়া হলে কোন মেলা চলবেনা বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে। এইখানে মেলা বসালে পুরো শহরে যানজট তৈরি হয়।মেলা বন্ধে জেলা প্রশাসনের উদ্যেগকে স্বাগত জানাই। এখানে কোন মেলার যাতে অনুমোদন ভবিষ্যতে না দেয়া হয় সে ব্যাপারেও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করি। নারায়ণগঞ্জ শহরে একটি নতুন মদের বার হচ্ছে, এটির ব্যাপারেও জেলা প্রশাসনের শক্ত পদক্ষেপ আশা করি।’
নারায়ণগঞ্জ নাগরিক কমিটির সভাপতি এড.এবি সিদ্দিকী বলেন, ‘জিয়া হলে এই মেলা বসানো অনেকদিন ধরেই চলছে। এটা কেন, কার স্বার্থে করা হয় এটা কেউ জানেনা।এখানে মেলা বসানোর পক্ষে কোন যুক্তি নেই। প্রশাসনের যদি অনুমোদন নাই থাকে তবে মেলা এতোদিন চললো কি করে এটিরও তদন্ত হওয়া উচিত।প্রশাসনের নাকের ডগায় থেকে পুরো নগরবাসীকে এতোদিন কারা কষ্ট দিলো তাদের চেহারাও উন্মোচন হওয়া উচিত। তবে বিলম্ব হলেও এখানে মেলা থাকবেনা এই সিদ্ধান্ত নগরবাসীসহ আমরা সকলে খুশি।’
সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রফিউর রাব্বি বলেন,‘ প্রায় ১০ বছর জিয়া হলটি ব্যবহারের অনুপুযোগী। এখানে মেলা বসিয়ে দীর্ঘদিন বাণিজ্য চললো। এই সিদ্ধান্ত বহু আগেই নেয়া উচিৎ ছিলো।মেলা বন্ধ হয়েছে সাধুবাদ জানাই।জিয়া হলটির সংস্কার নয়, ভেঙে নতুন করে নির্মাণ করা হোক যাতে করে সামাজিক সংগঠনগুলো এটি ব্যবহার করতে পারে সেই দাবি থাকবে।’
জিয়া হলের এই মেলা মানুষের দুর্ভোগ বাড়ায় জানিয়ে নারায়ণগঞ্জ কলেজের অধ্যক্ষ ও নারায়য়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি রুমন রেজা বলেন, ‘জিয়া হলে মেলা বসানোর আসলে কোন যুক্তি নাই। জিয়া হলের সংস্কারের কোন উদ্যেগ নেয়া হচ্ছেনা, পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। দীর্ঘদিন ধরে মানুষের দাবি ছিলো এই মেলা বন্ধ করার, আর সেটি বাস্তবায়নের জন্য প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানাই।’
তিনি আরও বলেন, ‘চাষাঢ়ায় যেরকমভাবে যানজট ও জলজটের সৃষ্টি হয় সারাবছর জুড়ে জিয়াহলের মেলা দুর্ভোগ বাড়াতো, এখানে মেলা করার আসলে কোন যুক্তি নাই। মেলায় কিছু মানুষের স্বার্থ রক্ষিত হয়, তবে বেশিরভাগ মানুষের যাতায়াতে সমস্যা তৈরি হয়। জিয়া হলের আলাদা কমিটি এবং তহবিল হয়েছে। জেলা প্রশাসকই পারে সৌন্দর্যবর্ধন করে জায়গাটি মানুষের জন্য উন্মুক্ত রাখতে।’
নারায়ণগঞ্জ জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের (এনইউজে) সাধারণ সম্পাদক আফজাল হোসেন পন্টি বলেন, ‘দেরিতে হলেও জেলা প্রশাসনের এব্যাপারে বোধদয় ঘটেছে সেজন্য এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই। পাশাপাশি ভবিষ্যতে যেন এধরনের মেলার নামে দোকান বসিয়ে কেউ ফায়দা না নিতে পারে সে ব্যাপারটিও যাতে দেখা হয়, এটুকুই তাদের কাছে দাবি।’
সবাই যখন বঙ্গবন্ধু সড়কের ফুটপাত হকারমুক্ত রাখার আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে ঠিক তখনো জিয়াহলের সামনে একের পর এক মেলা বসানোয় প্রশাসনের দিকেই চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিচ্ছিল। চাষাঢ়ার জিয়া হলের সামনের এই মেলা নিয়ে নাগরিক সমাজ বারবার ক্ষোভ ঝেড়েছেন। তবে তা আরও গুরুত্ব পায় যখন গত ১২ মে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় তৎকালীন পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ হারুন অর রশীদ জেলা প্রশাসকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, ‘জিয়া হলে মেলা বসানোর কারণে যানজট তৈরি হচ্ছে।’ এটি একটি পরিত্যক্ত ভবন।জিয়া হলে মেলা হলে মূল সড়কে যানজট তৈরি হয়। এখানে মেলা না হলেই ভালো হতো।
তখন জেলা প্রশাসক ছিলেন রাব্বী মিয়া। তিনি ওই সভাতেই মেলা বসানোর আর কোন অনুমোদন দেয়া হবেনা বলে জানিয়েছিলেন। এই সভাতেই সেটি নিয়ে মৌখিক সিদ্ধান্ত হয়। জেলা প্রশাসক জসিম উদ্দিন দায়িত্ব নেয়ার পরেও আরও দুটি আইনশৃঙ্খলা সভাতেও জিয়া হলের এই মেলা প্রসঙ্গ উঠে আসে।এমনকি, জেলা আইনশৃঙ্খা সভায় জিয়া হলের সামনে মেলা না বসানোর ব্যাপারে রেজ্যুলেশনও হয়।
তবে অজ্ঞাত কারণে জিয়া হলের সামনের এই মেলা চালানো অব্যহত থাকে।বারোমাসি এই মেলার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ নগরবাসী।এরই মধ্যে শীত শুরুর আগে গেলো কয়েকমাস মাসব্যাপি চলা তাঁতবস্ত্র মেলা নাম বদলে শীতবস্ত্র হস্ত ও কুটির শিল্প নাম নিয়ে শুরু হয় চাষাঢ়া জিয়া হলেই।
আইনশৃঙ্খলা সভায় উপস্থিত অনেকেই এনিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেন। ক্ষোভ প্রকাশ করেন নাগরিক সমাজও। সবাই তাকিয়ে ছিলেন জেলা প্রশাসকের দিকে। শেষ অবদি জেলা প্রশাসক নিরাশ করলেন না শহরের নাগরিক সমাজ ও বাসিন্দাদের।
অবশেষে নগরীর চাষাঢ়ার জিয়া হলের শীত বস্ত্র, হস্ত ও কুটির শিল্প মেলা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে জেলা প্রশাসন। একদিনের মধ্যে মেলার সব দোকানিকে তাদের জিনিসপত্র সরিয়ে নেয়ার জন্য সময় দেয়া হয়। ২২ ডিসেম্বর দুপুরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রুমানা আক্তারের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকালে তিনি এ নির্দেশ দেন।
জিয়া হলের মেলা বন্ধের ব্যাপারে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রুমানা আক্তার জানান, জেলা প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া অবৈধভাবে মেলা স্থাপনের দায়ে মেলাটি বন্ধ করে নির্দেশ জেলা প্রশাসন দিয়েছে। আগামীকাল (২৩ ডিসেম্বর) সকালের মধ্যে স্থানটি ফাঁকা করার জন্য ব্যবসায়ীদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তারপরও যদি তারা নিজেদের মালামাল সরিয়ে না নেয় তাহলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আসলে নির্দেশনাটি আজকেই আমার কাছে এসেছে। প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী মেলা বন্ধের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
এদিকে সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) সরেজমিন ঘুরে করে দেখা গেছে, দোকানপাট গুছিয়ে চলে গেছেন ব্যবসায়ীরা। প্যান্ডেল খোলার কাজও চলছে। তবে এখনো পুরো জিয়া হল প্রাঙ্গণ উন্মুক্ত হয়নি।
জিয়া হলের মেলা বন্ধ হওয়ায় জেলা প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন নাগরিক সমাজ। তারা প্রশাসনের এমন সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।
প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি এড.মাহবুবুর রহমান মাসুম। তিনি বলেন, ‘জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় জিয়া হলে কোন মেলা চলবেনা বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে। এইখানে মেলা বসালে পুরো শহরে যানজট তৈরি হয়।মেলা বন্ধে জেলা প্রশাসনের উদ্যেগকে স্বাগত জানাই। এখানে কোন মেলার যাতে অনুমোদন ভবিষ্যতে না দেয়া হয় সে ব্যাপারেও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করি। নারায়ণগঞ্জ শহরে একটি নতুন মদের বার হচ্ছে, এটির ব্যাপারেও জেলা প্রশাসনের শক্ত পদক্ষেপ আশা করি।’
নারায়ণগঞ্জ নাগরিক কমিটির সভাপতি এড.এবি সিদ্দিকী বলেন, ‘জিয়া হলে এই মেলা বসানো অনেকদিন ধরেই চলছে। এটা কেন, কার স্বার্থে করা হয় এটা কেউ জানেনা।এখানে মেলা বসানোর পক্ষে কোন যুক্তি নেই। প্রশাসনের যদি অনুমোদন নাই থাকে তবে মেলা এতোদিন চললো কি করে এটিরও তদন্ত হওয়া উচিত।প্রশাসনের নাকের ডগায় থেকে পুরো নগরবাসীকে এতোদিন কারা কষ্ট দিলো তাদের চেহারাও উন্মোচন হওয়া উচিত। তবে বিলম্ব হলেও এখানে মেলা থাকবেনা এই সিদ্ধান্ত নগরবাসীসহ আমরা সকলে খুশি।’
সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রফিউর রাব্বি বলেন,‘ প্রায় ১০ বছর জিয়া হলটি ব্যবহারের অনুপুযোগী। এখানে মেলা বসিয়ে দীর্ঘদিন বাণিজ্য চললো। এই সিদ্ধান্ত বহু আগেই নেয়া উচিৎ ছিলো।মেলা বন্ধ হয়েছে সাধুবাদ জানাই।জিয়া হলটির সংস্কার নয়, ভেঙে নতুন করে নির্মাণ করা হোক যাতে করে সামাজিক সংগঠনগুলো এটি ব্যবহার করতে পারে সেই দাবি থাকবে।’
জিয়া হলের এই মেলা মানুষের দুর্ভোগ বাড়ায় জানিয়ে নারায়ণগঞ্জ কলেজের অধ্যক্ষ ও নারায়য়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি রুমন রেজা বলেন, ‘জিয়া হলে মেলা বসানোর আসলে কোন যুক্তি নাই। জিয়া হলের সংস্কারের কোন উদ্যেগ নেয়া হচ্ছেনা, পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। দীর্ঘদিন ধরে মানুষের দাবি ছিলো এই মেলা বন্ধ করার, আর সেটি বাস্তবায়নের জন্য প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানাই।’
তিনি আরও বলেন, ‘চাষাঢ়ায় যেরকমভাবে যানজট ও জলজটের সৃষ্টি হয় সারাবছর জুড়ে জিয়াহলের মেলা দুর্ভোগ বাড়াতো, এখানে মেলা করার আসলে কোন যুক্তি নাই। মেলায় কিছু মানুষের স্বার্থ রক্ষিত হয়, তবে বেশিরভাগ মানুষের যাতায়াতে সমস্যা তৈরি হয়। জিয়া হলের আলাদা কমিটি এবং তহবিল হয়েছে। জেলা প্রশাসকই পারে সৌন্দর্যবর্ধন করে জায়গাটি মানুষের জন্য উন্মুক্ত রাখতে।’
নারায়ণগঞ্জ জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের (এনইউজে) সাধারণ সম্পাদক আফজাল হোসেন পন্টি বলেন, ‘দেরিতে হলেও জেলা প্রশাসনের এব্যাপারে বোধদয় ঘটেছে সেজন্য এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই। পাশাপাশি ভবিষ্যতে যেন এধরনের মেলার নামে দোকান বসিয়ে কেউ ফায়দা না নিতে পারে সে ব্যাপারটিও যাতে দেখা হয়, এটুকুই তাদের কাছে দাবি।’
