চুন্নু বহিষ্কার হলেও বেপরোয়া নয়ন-মীর্জা বাহিনী
সহকর্মীদের সাথে অশোভন আচরন ও হুমকীর রেশ কাটতে না কাটতেই এবার পরিচালককেও
হুমকী দিলেন বিআইডব্লিউটিসির মীর্জা-নয়ন-চুন্নু গ্রুপের সন্ত্রাসীরা। এ
অভিযোগে জাকির হোসেন চুন্নু লস্কর ও ফিটার মীর হোসেনকে বহিস্কারসহ অপর ৩
জনকে তাৎক্ষনিক বদলীর(স্ট্যান্ড রিলিজ) নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এরা হলো
গাড়ী চালক সোলায়মান,নবীউল হক ও শরীফুল ইসলাম।
গত ২ ডিসেম্বর বিআইডবিøউটিসির চীফ পার্সোনাল ম্যানেজার মানসুরা আহমেদ ও উপসচিব(প্রশাসন) সিলভানা খানম স্বাক্ষরিত নির্দেশপত্রে আদেশ তাৎক্ষনিকভাবে কার্যকর করা হয়েছে।
আদেশপত্রে বলা হয়েছে ২ ডিসেম্বর বেলা সোয়া ৩টায় লস্কর জাকির হোসেন চুন্নুর নেতৃত্বে ফিটার মীর হোসেন,গাড়ী চালক নবীউল হক,সোলায়মান ও শরীফুল ইসলাম সংস্থার পরিচালক(বাণিজ্য)এর কক্ষে ঢুকে উচ্চস্বরে কথা বলে এবং হুমকী প্রদান করে সরকারী কাজে বাধা সৃস্টি করে। এ অভিযোগ চেয়ারম্যান বরাবরে অবহিত করলে পর্ষদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক তাদের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়।
আদেশপত্রে আরো বলা হয়,জাকির হোসেন চুন্নু এর আগেও অসদাচরনের দায়ে অভিযুক্ত হলে তৎকালীন সময়ে স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামার মাধ্যমে রেহাই পেয়ে যায়।
এ ব্যাপারে বিআইডবিøউটিসি ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের জন্যে মির্জা মোস্তাফিজ-নয়নগংসহ চুন্নু-মীরদের স্থায়ীভাবে বরখাস্তসেহ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানিয়েছেন। কর্তৃপক্ষ বরাবরে দেয়া চিঠিতে জানানো হয়েছে,বিগত ৫/৬ বছর যাবত ভূয়া ইউনিয়নের নেতানামধারী সংস্থায় কর্মরত সন্ত্রাসী মীর্জা মোস্তাফিজের নেতৃত্বে ওয়েল্ডার সামসুল আলম নয়ন,মীর হোসেন,মিছির,মেকানিক সামসুজ্জামান,টার্নার শাহ আলম,লস্কর মাসুকুর রহমান,ভান্ডার রক্ষক আউয়ালগং প্রধান কার্যালয়সহ নারায়নগঞ্জের১ ও ২ নং ডকইয়ার্ডে সন্ত্রাসের রামরাজত্ব কায়েম করে রেখেছে।
তাদের অত্যাচার ও চাঁদাবাজির কবলে পড়ে অনেক অসহায় নীরিহ কর্মচারী কাজে যোগ দিতে পারছে না। এর ফলে ডকইয়ার্ডগুলোতে স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এ ছাড়াও সোনাচড়া-ঢাকেশ্বরী ও ধামগড় এলাকায় ডকইয়ার্ডগুলোতে মালামাল তছরুপসহ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বিআইডবিøউটিসি।
এ ব্যাপারে উবর্ধতনমহলে জানিয়ে কোন প্রতিকার মিলছে না। অবিলম্বে এ সকল সন্ত্রাসীদের ব্যাপারে ব্যবস্থা নিয়ে সংস্থায় স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবী জানিয়েছে নির্যাতিত শ্রমিক-কর্মচারীরা ।
গত ২ ডিসেম্বর বিআইডবিøউটিসির চীফ পার্সোনাল ম্যানেজার মানসুরা আহমেদ ও উপসচিব(প্রশাসন) সিলভানা খানম স্বাক্ষরিত নির্দেশপত্রে আদেশ তাৎক্ষনিকভাবে কার্যকর করা হয়েছে।
আদেশপত্রে বলা হয়েছে ২ ডিসেম্বর বেলা সোয়া ৩টায় লস্কর জাকির হোসেন চুন্নুর নেতৃত্বে ফিটার মীর হোসেন,গাড়ী চালক নবীউল হক,সোলায়মান ও শরীফুল ইসলাম সংস্থার পরিচালক(বাণিজ্য)এর কক্ষে ঢুকে উচ্চস্বরে কথা বলে এবং হুমকী প্রদান করে সরকারী কাজে বাধা সৃস্টি করে। এ অভিযোগ চেয়ারম্যান বরাবরে অবহিত করলে পর্ষদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক তাদের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়।
আদেশপত্রে আরো বলা হয়,জাকির হোসেন চুন্নু এর আগেও অসদাচরনের দায়ে অভিযুক্ত হলে তৎকালীন সময়ে স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামার মাধ্যমে রেহাই পেয়ে যায়।
এ ব্যাপারে বিআইডবিøউটিসি ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের জন্যে মির্জা মোস্তাফিজ-নয়নগংসহ চুন্নু-মীরদের স্থায়ীভাবে বরখাস্তসেহ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানিয়েছেন। কর্তৃপক্ষ বরাবরে দেয়া চিঠিতে জানানো হয়েছে,বিগত ৫/৬ বছর যাবত ভূয়া ইউনিয়নের নেতানামধারী সংস্থায় কর্মরত সন্ত্রাসী মীর্জা মোস্তাফিজের নেতৃত্বে ওয়েল্ডার সামসুল আলম নয়ন,মীর হোসেন,মিছির,মেকানিক সামসুজ্জামান,টার্নার শাহ আলম,লস্কর মাসুকুর রহমান,ভান্ডার রক্ষক আউয়ালগং প্রধান কার্যালয়সহ নারায়নগঞ্জের১ ও ২ নং ডকইয়ার্ডে সন্ত্রাসের রামরাজত্ব কায়েম করে রেখেছে।
তাদের অত্যাচার ও চাঁদাবাজির কবলে পড়ে অনেক অসহায় নীরিহ কর্মচারী কাজে যোগ দিতে পারছে না। এর ফলে ডকইয়ার্ডগুলোতে স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এ ছাড়াও সোনাচড়া-ঢাকেশ্বরী ও ধামগড় এলাকায় ডকইয়ার্ডগুলোতে মালামাল তছরুপসহ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বিআইডবিøউটিসি।
এ ব্যাপারে উবর্ধতনমহলে জানিয়ে কোন প্রতিকার মিলছে না। অবিলম্বে এ সকল সন্ত্রাসীদের ব্যাপারে ব্যবস্থা নিয়ে সংস্থায় স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবী জানিয়েছে নির্যাতিত শ্রমিক-কর্মচারীরা ।
