জিয়া ছিলেন বড় মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী: প্রধানমন্ত্রী
জিয়াউর রহমান বড় মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী
ছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার সকালে ঢাকার
প্যান প্যাসিফিক হোটেল সোনারগাঁওয়ে ‘বিশ্ব মানবাধিকার দিবস’ উপলক্ষে
আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, ’৭৫-এর ১৫ আগস্ট একটি পরিবারের
এতগুলো মানুষকে হত্যা করা হলো অথচ তার বিচার হলো না! ইনডেমনিটি
(দায়মুক্তি) অধ্যাদেশ জারি করে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার বন্ধ করা হয়েছিল।
বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে একসময় যারা দম্ভ করে বলেছিল, এই হত্যার বিচার কেউ
করতে পারবে না, তাদের রক্ষা করেছিল জিয়াউর রহমান। জিয়া শুধু খুনিদের রক্ষাই
করেনি, তাদের বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি দিয়ে পুরস্কৃত করেছে। জিয়া ও তার
স্ত্রী খুনিদের রাষ্ট্রপতির পদে নির্বাচন করিয়েছে। ভোট চুরি করে তাদের
বিরোধী দলের নেতার চেয়ারে বসানো হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি
করার পর এ দেশে অনেক মানুষ তার স্বজন হত্যার বিচার পায়নি। যারা মুক্তিযুদ্ধ
করে এ দেশ স্বাধীন করেছে, তাদের হত্যা করে রাজাকার, আলবদর, আলশামসদের
রক্ষা করা হয়েছে।
মানবাধিকার লঙ্ঘনকারীদের ওপর হুঁশিয়ারি
উচ্চারণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী কেউ রক্ষা পাবে না।
যেকোনো হত্যা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিচার করে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা
করা হবে। তিনি বলেন, জঙ্গি, সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী, হত্যাকারী,
দুর্নীতিবাজ যতবড় শক্তিশালী হোক, কেউ ছাড় পাবে না।
বাংলাদেশের মানুষের মানবাধিকার রক্ষার
জন্য সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে বলে উল্লেখ করেন শেখ হাসিনা বলেন,
অনেক হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার হচ্ছে। এখন মানুষ বিচার পাচ্ছে। কিন্তু
৭৫-এর পর আমার বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। তিনি বলেন, যুদ্ধ করে যারা দেশ
স্বাধীন করেছে, খুনিরা তাদেরকেই হত্যা করেছে। তাদের মধ্যে কোনো মানবাধিকার
ছিল না।
